ক্যারিয়ার হিসেবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

ক্যারিয়ার হিসেবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং….
সিভিলের জন্য পাবলিক ও কয়েকটি সেরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলির নাম নিচে আছে..

চাকরির ক্ষেত্র-

(১) সরকারের সকল মন্ত্রনালয়, বিভাগ ও দপ্তরে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ২য় শ্রেনীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(২) বিদ্যমান সরকারী ও এবসরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসমূহে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল) হিসেবে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৩) ভোকেশনাল স্কুলসমূহে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল) হিসেবে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৪) বিভিন্ন কন্সট্রাকশন ফার্মে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৫) সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপ-সহকারী প্রকৈশলী (সিভিল) পদে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৬) বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)/সুপারভাইজার পদে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৭) বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকুরী লাভ করার যোগ্যতা অর্জন করবে।

আত্নকর্মসংস্থানের ক্ষেত্র-

(১) কন্সট্রাকশন ফার্ম স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।

(২) গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকাদারী ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারবে।

(৩) গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপদেষ্টা ফার্ম স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।

(৪) ব্রীক ফিল্ড স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।

(৫) আমদানী-রপ্তানীসহ গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারবে।

(৬) কনসালটেন্ট হিসেবে এস্টিমেট, ডিজাইন, এনালাইসিস ও সুপারভিশনের কাজ করতে পারবে।

(৭) সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারবে।

উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্র-

৪ বছর মেয়াদী উক্ত কোর্সটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড সনদপত্র প্রদান করবে। উক্ত সনদপত্রের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

(১) দেশে বিদ্যমান ইঞ্জিনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বিএসসি-ইন-ইঞ্জিনিয়ার ডিগ্রী অর্জনের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(২) বিভিন্ন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি-ইন-ইঞ্জিনিয়ার ডিগ্রী অর্জনের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৩)ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউট, রমনা, ঢাকা কর্তৃক পরিচালিত এএমআইই ডিগ্রী (বিএসসি-ইন-ইঞ্জিনিয়ার সমমান) অর্জন করতে পারবে।

(৪) বিদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়/ইন্সটিটিউট থেকে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করতে পারবে।

(৫) আইডিইবি’র সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধান শাখাগুলি

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধাণ ৭ টি শাখা আছে নিচে এগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল

স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং

বাড়ি,হোটেল, পার্ক, ব্রীজ, বিল্ডিং ইত্যাদির উপরে নিজস্ব ভার বা বাইরের ভার প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ বাতাস,পানি,ভুমিকম্প,তাপমাত্রা ইত্যাদির প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য সিমেন্ট,বালি,রি-ইনফোর্সমেন্ট,কাঠ, অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে সঠিক ডিজাইন করা হলো এই শাখার কাজ।
এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং****
পরিবেশ তথা বাতাস এবং পানির দুষণ রোধ, বিশুদ্ধকরণ ইত্যাদি করা এই শাখার কাজ। বর্তমানে এটি একটি গুরুত্বপুর্ন শাখা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বর্জ্য, মল ইত্যাদি অপসারণ এবং বিশুদ্ধকরণ করা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই শাখাতে।

জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রায় সকল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাতেই এটি কাজে লাগে। কারণ বেশির ভাগ স্ট্রাকচার ভুমির উপর অবস্থিত। মাটি বা পাথরের এর উপর স্ট্রাকচার এর প্রভাব এবং এদের বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি। ভুগর্ভের সিপেজ,ভুমিকম্পের প্রভাব, স্থিতিশিলতা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাটি। বাধ, রিটেইনিং ওয়াল, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির আংশিক ডিজাইন করা হয় এই শাখার মাধ্যমে।

ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং

পানি আমাদের জিবনে অনেক গুরুত্বপুর্ন এটা আমরা সবাই যেমন জানি, তেমনি এটাও ঠিক যে এটি অত্যান্ত্য সাধারণ একটি কথা। আবার এই পানি আমাদের মরণও ডেকে নিয়ে আসে। তাও আমরা জানি। পানি সম্পদ প্রকৌশল পানির ভৌত অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। বন্যা, শহরের-কারখানা-সেচ এর পানি সরবরাহ, নদি ভাঙ্গন রোধ, নদির শাষন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং ডিজাইন করে থাকে। হাইড্রলিক পাওয়ার, বাধ, খাল, পানিধস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি।

ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং

কোন সমাজের বৈশিষ্ঠ্য বা গুন এর যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে। কোন সমাজের উন্নয়ন অনেকটা প্রভাবিত হয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। মানুষ, মালামাল ইত্যাদি পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষনা, ডিজাইন, সমস্যা, সমাধান নিয়ে কাজ করে ট্র্যান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। অল্প রাস্তায় অধিক পরিবহন সুবিধা, দুর্ঘটনা কমানো, খরচ কমানো ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এই শাখাটি।

এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং

এ শাখায় এনভায়রনমেন্ট নিয়ে কাজ করা হয় , কোন অবকাঠামোর এনভায়রন্মেন্টাল ইফেক্ট , কোন অবকাঠামো কিভাবে এনভায়রমেন্টাল সেফটি রেখে নির্মান করতে হবে, এছাড়াও পিউর এনভায়রনমেন্টাল ইফেক্ট নিয়ে কাজ করে এ শাখা

কন্সট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং

এই শাখাতে আলোচনা করা হয় যে কি ভাবে একটি কাঠামো গঠন করতে হবে। অর্থের ব্যবহার, সময়ের সংক্ষেপন, প্রয়োজনীয় মালামাল-যন্ত্রপাতি ইত্যাদির যোগান, কাঠামো গঠনের পদ্ধতি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা হয় শাখাতে।

আরবান এবং কম্যিনিটা প্লানিং

নগরায়ণ এবং শহর পরিকল্পনা করা হয় মুলত একটি গোষ্ঠি নিয়ে কাজ করা। একটি গোষ্ঠি বা জোট এ কি কি লাগতে পারে এবং কিভাবে লাগাতে হবে তা নিয়ে গবেষণা করা হয় এই শাখাতে

কেন পড়বেন ?

চাহিদা

চাহিদার কথা বলতে গেলে বলতে হয় কিছু কিছু বিষয়ের চাহিদা সেই প্রাচীন কালেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। পুরকৌশল তেমনি একটি বিষয়।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দের কাজ হল নকশা এবং নির্মান করা আর সেই কাজ এর ক্ষেত্র গুলো হল রাস্তাঘাট, বিমানবন্দর, সেতু, সুড়ংগ, পানি সরবরাহ এবং নিস্কাশন ব্যবস্থা, বাধ, পোতাশ্রয়, রেলপথ, ফেরিঘাট, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, ভবন এমনকি নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট ও এই শাখার বাইরে না ।

বাংলাদেশে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জব স্কোপ

অনেকের ধারনা এই বিষয় পড়লে ঘুষ খেতে হয় কিংবা এই প্রকৌশলীদের বেতন নাই। কিন্তু ভাল মন্দ সম্পূর্ণ নিজের কাছে।
কেউ যদি দুর্নীতি করতে চায়, যে কোন জায়গা থেকেই তা করতে পারে। ভাল থাকতে চাইলে যে কোন জায়গাতেই ভাল থাকা সম্ভব। আর বেতনের কথা বলা যায় skill থাকলে এই বিষয়ে যত উপরে যাওয়া যায়, অন্য কোন বিষয়ে তা সম্ভব না, তা দেশেই হক আর বিদেশেই হোক।
আমেরিকার এক সমীক্ষায় দেখা গেছে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এর পর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দের গড় বেতন সবচেয়ে বেশি। তবে তার মানে এই নয় যে সবাই high salary job পাবে, এজন্য সেই পর্যায়ের skill develop করতে হবে। এটা শুধু পুরকৌশল নয়, সকল বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সরকারী_জব

ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেঃ

পানি উন্নয়ন বোর্ড
সড়ক ও জনপদ বিভাগ
এলজিইডি
এলজিডি
বাংলাদেশ রেলওয়ে
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ
সিটি করপোরেশন
পৌরসভা
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
সেনাবাহিনী
মিলিটারী ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস
ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন
বিভিন্ন বন্দর
ব্যাংকের ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লি.
ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিঃ
ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি.
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড
পল্লী বিদ্যুৎ কোম্পানি লিমিটেড
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিঃ
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর
মৎস্য অধিদপ্তর
ডিপার্টমেন্ট অফ পাবলিক হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং

বেসরকারী জব

Real estate company

ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম

কন্সট্রাকশন ফার্ম

কনসাল্টেন্সি ফার্ম

পরিবেশ নিয়ে কর্মরত বিভিন্ন multinational company

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর

Higher Studies
————————————–
> ভালো রেসাল্ট এবং IELTS স্কোর থাকলে খুব সহজেই পেয়ে যেতে পারো স্কলারশিপ নিয়ে বিভিন্ন দেশের নামকরা ইউনিভার্সিটি তে।
>প্রাইভেট হোক আর পাবলিক ,একটু চেস্টা করলে হায়ার স্টাডিজ এ স্কলারশিপ পাওয়া পসিবল (এখানে প্রাইভেট বা পাবলিক ফ্যাক্ট না)
>এছাড়া দেশের মধ্যে বুয়েট,চুয়েট,কুয়েট,রুয়েট,IUT,MIST,UAP,SUB,iUBAT,AUST ইত্যাদি ইউনিভার্সিটি দিচ্ছে MS.c করার সুযোগ
>এছাড়াও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টপমেন্ট থেকে অনেকেই IBA-MBA করছে
>এছাড়া আছে Dhaka University -EMBA
> সম্ভাবনার দ্বার সবই খোলা ,শুধু ব্যাপার হচ্ছে তুমি কিভাবে নিচ্ছ,আর কিভাবে নিজেকে গড়ে তুলছ

কোথায় পড়বেন ?

বাংলাদেশের প্রায় সব প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে।

১. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

২. ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(ডুয়েট )-শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ব্যাকগ্রাউন্ড দের জন্যে

৩. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)

৪. রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)

৫. চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)

৬.শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সাস্ট)

৭.মিলিটারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (MIST)

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির তে পড়ার সুযোগ
—————————————————

এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এ বিষয়ে পড়ার সুযোগ যথেষ্ট।

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মধ্যে উল্লেখ্য ৮ টি

১. আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিবিদ্যালয়
——————————————————
শিক্ষাব্যাবস্থা– ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্যে প্রাইভেট এর মধ্যে সবার আগেই আসে আহছানউল্লাহ নাম । মোটামুটি কম খরচে মানসম্মত শিক্ষাব্যাবস্থা দিচ্ছে আহছানউল্লাহ ।

ক্যাম্পাস – ৪ বছর একটা ইউনিভার্সিটি তে পড়বেন তাই কোথায় পড়ছেন সেটা বড় একটা ফ্যাক্টর। ল্যাব ফ্যাসিলিটি কেমন,ক্যাম্পাসের মান কেমন এসব ইম্পরটেন্ট । আর সেক্ষেত্রে আপনি অনায়সে আহছানউল্লাহ চুস করতে পারেন ,কারন রয়েছে সুন্দর সাবলীল ক্যাম্পাস ও যথেস্ঠ ল্যাব ফ্যাসিলিটি

মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড (যেটা সিভিলের জন্যে ইম্পরটেন্ট)

২. ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক
——————————————————

#শিক্ষাব্যাবস্থা- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্যে প্রাইভেট এর মধ্যে UAP কে এগিয়ে রাখতে পারেন ।সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ কম খরচে মানসম্মত শিক্ষাব্যাবস্থা দিচ্ছে UAP । অসাধারন সব ফ্যাকাল্টির জন্যে UAP অনেক এগিয়ে । দেশের খ্যাতনামা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জামিলুর রেজা স্যার UAP এই ইউনিভার্সিটির ভি.সি ।

#ক্যাম্পাস – ৪ বছর একটা ইউনিভার্সিটি তে পড়বেন তাই কোথায় পড়ছেন সেটা বড় একটা ফ্যাক্টর। ল্যাব ফ্যাসিলিটি কেমন,ক্যাম্পাসের মান কেমন এসব ইম্পরটেন্ট । আর সেক্ষেত্রে আপনি অনায়সে UAP কে এগিয়ে রাখতে পারেন , UAP তে রয়েছে পারমানেন্ট ক্যাম্পাস ও যথেস্ঠ ল্যাব ফ্যাসিলিটি।

#মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড (যেটা সিভিলের জন্যে ইম্পরটেন্ট)

Note: IEB : The Institution of Engineers, Bangladesh

৩. স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি
——————————————————

#শিক্ষাব্যাবস্থা- AUST/ UAP এর পরেই Stamford কে রাখতে পারেন ।

#ক্যাম্পাস – ৪ বছর একটা ইউনিভার্সিটি তে পড়বেন তাই কোথায় পড়ছেন সেটা বড় একটা ফ্যাক্টর। ল্যাব ফ্যাসিলিটি কেমন,ক্যাম্পাসের মান কেমন এসব ইম্পরটেন্ট । আর সেক্ষেত্রে ল্যাব ফ্যাসিলিটি ও ভাল।

#মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড (যেটা সিভিলের জন্যে ইম্পরটেন্ট)

৪. IUBAT ইউনিভার্সিটি
——————————————————

#শিক্ষাব্যাবস্থা- শিক্ষাব্যাবস্থা মান সম্মত ।

#ক্যাম্পাস – এই ইউনিভার্রসিটির ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় অবস্থিত , মান-সম্মত ক্যাম্পাস ও ল্যাব ফ্যাসিলিটি বিদ্যমান

৫. EAST-WEST ইউনিভার্সিটি
——————————————————

#শিক্ষাব্যাবস্থা- শিক্ষাব্যাবস্থা মান সম্মত ।

#ক্যাম্পাস – এই ইউনিভার্রসিটির ক্যাম্পাস রামপুরায় অবস্থিত এবং ঢাকায় অবস্থিত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি গুলোর মধ্যে অসাধারন ক্যাম্পাসের জন্যে একধাপ এগিয়ে এই ইউনিভার্সিটি । এছাড়াও আছে মান-সম্মত ল্যাব ফ্যাসিলিটি বিদ্যমান ও দক্ষ শিক্ষকেরা ।

৬.নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (IEB লিস্টেড না)

৭.ইউনিভার্সিটি অফ ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলোজি (IEB লিস্টেড না)

৮. ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি (IEB লিস্টেড না)

যাদের পুরকৌশলে আগ্রহ আছে তারা নির্দ্বিধায় এ পেশায় আসতে পার। ভবিষ্যৎ খুব খারাপ হবে না ইনশাল্লাহ।
তবে পরিশ্রম,প্যাশিয়ন আর ধৈর্য থাকতে হবে
সবার জন্য শুভ কামনা

image_pdfDownload Pdfimage_printPrint Article
Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker